দেশজুড়ে

পারইল উচ্চ বিদ্যালয়ের দোকানঘর ভাঙচুর: ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন

  admin ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ , ১:১৭ অপরাহ্ণ প্রিন্ট সংস্করণ

মাহবুবুজ্জামান সেতু, নওগাঁ প্রতিনিধি:নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার পারইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাহিদুর রহমান জাহিদ নিজেকে নিয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ‘ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদ চত্ত্বরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “গত ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর আমাকে জড়িয়ে কয়েকটি অনলাইন ও প্রিন্ট মিডিয়ায় যেসব সংবাদ প্রকাশ হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যমূলক। সংবাদে বলা হয়েছে, আমার নেতৃত্বে পারইল উচ্চ বিদ্যালয়ের দোকানঘর ও নামাজের ওয়াক্তা খানায় ভাঙচুর করা হয়েছে। এটি সম্পূর্ণ অসত্য।”

তিনি আরও দাবি করেন, “কয়েকটি মিডিয়ায় বলা হয়েছে, আমি নাকি বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোপাল চন্দ্র সাহার কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছি। আমি স্পষ্টভাবে জানাচ্ছি, এই অভিযোগ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”

চেয়ারম্যান জাহিদ বলেন, পারইল উচ্চ বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি শহিদুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক গোপাল চন্দ্র সাহাসহ কয়েকজনের যোগসাজশে বিদ্যালয়ের গ্যারেজ অংশে ইটের দোকানঘর নির্মাণ করা হচ্ছিল। এলাকাবাসী বিষয়টি নিয়ে বারবার অভিযোগ করলে তিনি গত ৮ সেপ্টেম্বর স্থানীয় গণ্যমান্যদের সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়ে যান।

“সেদিন প্রধান শিক্ষক ও অন্যান্যদের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তারা কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। বাধ্য হয়ে উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি জানাই। প্রশাসনের প্রতিনিধি এসে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেন,”— বলেন তিনি।

চেয়ারম্যানের ভাষ্য অনুযায়ী, ১১ সেপ্টেম্বর ফের ওই স্থানে নির্মাণকাজ চালানোর চেষ্টা করলে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী ইটের নির্মাণাধীন দেয়াল ভেঙে দেয়। তবে নামাজের ওয়াক্তা খানায় কোনো ধরনের ভাঙচুর হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান জাহিদুর রহমান বলেন, “বিদ্যালয়ের সভাপতি শহিদুল ইসলাম ও প্রধান শিক্ষক গোপাল চন্দ্র সাহা নিজেদের দায় এড়াতে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছেন। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”

এ সময় তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

আরও খবর:

Sponsered content