দেশজুড়ে

পরিবেশগত স্বাস্থ্য ঝুঁকি, বছরে ৫ বিলিয়ন এর অধিক দিন অসুস্থায় থাকতে হয়

  admin ২৭ নভেম্বর ২০২৫ , ১:২০ অপরাহ্ণ প্রিন্ট সংস্করণ

নিজস্ব প্রতিবেদন : বাংলাদেশ উদ্বেগজনক মাত্রার পরিবেশগত স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে যা তুলনামূলক ভাবে বেশি ক্ষতি করছে শিশু, বয়স্ক এবং নারীদের, যা বিশ্বব্যাংকসহ অন্যান্য সংস্থার প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে।

দূষণকে বলা হয় নীরব ঘাতক। ঢাকা বা তার আশেপাশের প্রায় প্রতিটি শহর উপশহরে শব্দ দূষণ, বর্জ্য দূষন, পরিবেশ দূষনের বহু উৎস রয়েছে যা জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি। অপ্রয়োজনীয় গাড়ির হর্ন, পরিকল্পনা বিহীন নির্মাণকাজ, উচ্চ শব্দে মাইকের ব্যবহার, শিল্পকারখানা কোন ক্ষেত্রেই শব্দ দূষণ বিষয়ে যেসব নিয়ম রয়েছে তা মানা হচ্ছে না।

ইন্টারনেশনাল প্রকিউরমেন্ট এন্ড লজিস্টিক সার্ভিস (আইপিএলএস) তাদের এক প্রতিবেদনে বলছেন বায়ু দূষণ, শব্দ দূষণ, বর্জ্য দূষন, খোলা স্থানে আবর্জনা ফেলে রাখা, অনিরাপদ পানি, নিম্নমানের স্যানিটেশন ও হাইজিন এবং সীসা দূষণ বছরে ২ লাখেরও বেশি অকালমৃত্যুর কবলে পড়েন এবং এর ফলে বছরে ৫ বিলিয়ন এর অধিক দিন অসুস্থতায় অতিবাহিত হয়। এসব পরিবেশগত কারণে বাংলাদেশের জিডিপির উপর নেতিবাচক প্রভাব পরে ও ঘরের এবং বাইরের দূষণে স্বাস্থ্যের ওপর সবচেয়ে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। আইপিএলএস দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পরিবেশ সংরক্ষন নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। সা¤্রতিক সময়ে প্রতিষ্ঠানটি নারায়ণগঞ্জ জেলা সিদ্ধিরগঞ্জ থানার সাহেবপাড়া ও তার আশেপাশের এলাকায় ব্যানার ফেস্টুন দেয়াল লিখন ও সেমিনার কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন।

আইপিএলএস এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা গিয়াসউদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির গতিপথ টেকসই রাখতে এবং শহর ও গ্রামাঞ্চলের মানুষের জীবনমানের উন্নতি করতে কোনোভাবেই পরিবেশকে উপেক্ষা করতে পারবে না। উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার লক্ষ্য অর্জনে পরিবেশের ক্ষয় রোধসহ শব্দ দূষণ, বর্জ্য দূষন, পরিবেশ দূষন রোধ করতে হবে। পরিবেশ দূষণ শিশুদের ওপর মারাত্বক প্রভাব ফেলছে। সীসা বিষক্রিয়া শিশুদের ব্রেনের বিকাশে অপরিবর্তনীয় ক্ষতি করছে। শিল্পের বর্জ্য, বায়ু দূষণ, শব্দ দূষণ, বর্জ্য দূষন, খোলা স্থানে আবর্জনা ফেলে রাখা, অনিরাপদ পানি, নিম্নমানের স্যানিটেশন ও হাইজিন এবং সীসা এবং অনিয়ন্ত্রিত প্লাষ্টিকসহ বিভিন্নবর্জ্যএবং অন্যান্য উৎস থেকে আসা অপরিশোধিত ময়লাযুক্ত পানির কারণে পরিবেশের মারাত্বক অবনতি ঘটেছে।

তিনি আরো বলেন সময়মতো এবং সঠিক নীতি, সচেতনার বিষয় গুলো প্রচার করা, ব্যানার ফেস্টুন দেয়াল লিখন ও সভা সমাবেশ কার্যক্রমের মাধ্যমে পরিবেশ দূষণের ধারা পাল্টে দেওয়া যেতে পারে। পরিবেশ সুরক্ষা জোরদারে পদক্ষেপ নিতে হবে, সাধারন মানুষকে সচেতন করতে হবে।

পরিবেশগত ব্যবস্থাপনার জন্য সুশাসন জোরদার, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানো এবং সবুজ অর্থায়নের জন্য সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে বাংলাদেশ এর পরিবেশকে রক্ষা করতে পারে।

আরও খবর:

Sponsered content