জাতীয়

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণা আজ/কাল: ভোট ১২ ফেব্রুয়ারি

  admin ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ , ৬:১৯ পূর্বাহ্ণ প্রিন্ট সংস্করণ

স্টাফ রিপোর্টার : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়ে এসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ বুধবার দুপুরে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে কমিশন। এরপর জাতির উদ্দেশে দেওয়ার জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের ভাষণ রেকর্ড করা হবে। সব ঠিক থাকলে, সিইসি আগামীকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ টেলিভিশন এবং বাংলাদেশ বেতারে দেওয়া ভাষণে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে পারেন।

ভোটের তারিখ চূড়ান্ত

​নির্বাচন কমিশন সূত্র অনুযায়ী, সম্ভাব্য ভোটের দিন হিসেবে ১২ ফেব্রুয়ারি তারিখটি চূড়ান্ত করা হয়েছে। এই দিনটি বৃহস্পতিবার হওয়ায় ভোট গ্রহণের পরের দুই দিন শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় ভোটের কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তারা বিশ্রামের সুযোগ পাবেন।

​সাধারণ ছুটি: নির্বাচন উৎসবমুখর করতে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নির্দেশনা অনুযায়ী, এবারই প্রথম ভোটের আগের দিন ১১ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হতে পারে।

​ছুটির বিন্যাস: ১১ (ছুটি), ১২ (ভোট/ছুটি), ১৩ (শুক্রবার), ও ১৪ (শনিবার) ফেব্রুয়ারি টানা ছুটির সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

সিইসির ভাষণ ও কার্যক্রম

​ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ নিশ্চিত করেছেন, আজ সিইসির ভাষণ রেকর্ড করা হবে এবং সেই ভাষণের মাধ্যমে তফসিল ঘোষণা করা হবে। নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, তফসিল ঘোষণার সব প্রস্তুতি চূড়ান্ত। তবে তফসিল আজ সন্ধ্যায় অথবা আগামীকাল বৃহস্পতিবার ঘোষণা করা হতে পারে।

ভোটের সময় বৃদ্ধি

​সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে হওয়ায় ভোটারের সময় সাশ্রয়ের জন্য একটি মহড়ার পর ইসি ভোটের সময় ১ ঘণ্টা বাড়িয়েছে। এবার সকাল ৭:৩০ মিনিট থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৪:৩০ মিনিটে শেষ হবে।

বেআইনি সমাবেশে কঠোর দমন

​তফসিল ঘোষণার পর সব ধরনের বেআইনি ও অনুমোদনহীন জনসমাবেশ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বৈঠকের পর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নির্বাচন যেন অবাধ ও উৎসবমুখর হয়, সেই লক্ষ্যে জনদুর্ভোগ সৃষ্টিকারী আন্দোলন ও বেআইনি সভা-সমাবেশ কঠোরভাবে দমন করা হবে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।

অন্যান্য প্রস্তুতি

​ইসি ইতোমধ্যে ভোটার তালিকা হালনাগাদ, আইনবিধি সংশোধন, দল ও পর্যবেক্ষক নিবন্ধন, অধিকাংশ ছাপার কাজ এবং অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপ শেষ করেছে। তফসিল ঘোষণার পর রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ, ২০টির মতো পরিপত্র জারি, ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ, মনিটরিং সেল গঠনসহ অন্যান্য কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে শুরু হবে। এবার প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের পদে সরকারি ও আধা সরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরও খবর:

Sponsered content