admin ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ , ৯:৫৩ পূর্বাহ্ণ প্রিন্ট সংস্করণ
কাজী আশরাফুল হাসান : সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার নওদাশালুয়া গ্রামের সাংবাদিক রুবেল তালুকদারকে ফিল্মি স্টাইলে অপহরণ ও নির্যাতনের ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি কামারখন্দ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সমাদুল মির্জার নেতৃত্বে গত রবিবার (১৭ আগস্ট) রাত ৯ টার দিকে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বিপ্লব কুমার ঘোষ, যুবদল নেতা মিজানুর, ছাত্রদল সভাপতি মুন্না সরকার, মান্নান সরকার, অপু ও হেদু সহ কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তি সাংবাদিক রুবেল তালুকদারকে অপহরণ করে সমাদুল মির্জার বাড়িতে নিয়ে ব্যাপক নির্যাতন চালায়।

ঘটনাটি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে এলাকাজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। পরে সংগঠনের শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে কামারখন্দ ইউনিয়ন ছাত্রদল থেকে মুন্না সরকারকে বহিষ্কার করা হলেও বাকি অভিযুক্তরা এখনো তাদের নিজ নিজ পদে বহাল রয়েছেন, এবং প্রকাশ্যে দলীয় কার্যক্রমেও সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন। যার বেশ কিছু প্রমাণ তাদের ফেসবুক থেকে মিলেছে।

এ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, প্রকাশ্যে দিবালোকে দিনের মতো পরিষ্কার এত গুরুতর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরও কি দলের শীর্ষ পর্যায় তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে? নাহলে কেন তাদের বিরুদ্ধে এখনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না?

এলাকার সাধারণ মানুষ মনে করছেন, শুধু সংবাদ প্রকাশের ভয়ে একজনকে বহিষ্কার করলেও বাকিদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না নেওয়ায় তারা আরও সাহসী হয়ে উঠছে। দ্রুত বাকি অভিযুক্তদের দল থেকে বহিষ্কার করে আইনের আওতায় আনার দাবি তুলেছেন তারা।

















