Uncategorized

কাদের জন্যও ফিতরা দেওয়া ওয়াজিব?

  admin ১৬ মার্চ ২০২৬ , ৭:৫৩ পূর্বাহ্ণ প্রিন্ট সংস্করণ

সদকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব। ঈদুল ফিতরের দিন সকালে ঈদগাহে যাওয়ার আগে সদকাতুল ফিতর আদায় করা মুস্তাহাব। কেউ চাইলে এর আগেও ফিতরা আদায় করতে পারবেন। দরিদ্র মানুষের সহায়তার জন্য এটাই অর্থাৎ ঈদুল ফিতরের আগেই ফিতরা আদায় করা উত্তম।

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা সদকাতুল ফিতরের প্রতি ইঙ্গিত করে ইরশাদ করেছেন- ‘নিশ্চয়ই সাফল্য লাভ করবে সে, যে পরিশুদ্ধ হয়’। (সুরা আলা, আয়াত : ১৪)।

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুল (সা.) সদকায়ে ফিতরকে ফরজ করেছেন, রোজাকে ভুল-ক্রটি থেকে পবিত্রকরণ ও দরিদ্রদের পানাহারের ব্যবস্থা নিশ্চিতের উদ্দেশ্যে। সুতরাং যে ব্যক্তি ঈদের নামাজের আগেই সাদকায়ে ফিতর আদায় করবে, তার ফিতরা মকবুল হিসেবে গণ্য হবে এবং যে ব্যক্তি ঈদের নামাজের পরে আদায় করবে, তার ফিতরা সাধারণ সাদকা হিসেবে গণ্য হবে। (জামেউল ফাওয়ায়েদ)।

ফিতরা কি সবার জন্য আদায় করা ওয়াজিব?

না, ফিতরা সবার জন্য আদায় করা ওয়াজিব নয়। যেই ব্যক্তির কাছে ঈদুল ফিতরের দিন সকালে নেসাব পরিমাণ অর্থাৎ সাড়ে সাত ভরি সোনা বা সাড়ে বায়ান্ন ভরি রুপা বা সমমূল্যের নগদ অর্থ থাকবে তার জন্য ফিতরা আদায় করা ওয়াজিব।

অর্থাৎ ফিতরা বিষয়ে মূল মাসআলা হলো— ঈদুল ফিতরের দিন সকালে যে ব্যক্তি যাকাতের নেসাব পরিমাণ সম্পদের (সাড়ে সাত ভরি সোনা বা সাড়ে বায়ান্ন ভরি রুপা বা সমমূল্যের নগদ অর্থ, ব্যবসাপণ্য, বসবাস ও খোরাকির জন্য প্রয়োজনীয় নয় এমন জমি, বসবাসের অতিরিক্ত বাড়ি, অপ্রয়োজনীয় আসবাবপত্র) মালিক থাকে, তার ওপর ওয়াজিব হয়। এই ব্যক্তির জন্য তার নিজের পক্ষ থেকে এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের পক্ষ থেকে ফিতরা আদায় করতে হবে।

তবে ফিতরা আদায়ের জন্য যাকাতের মতো নিসাব পরিমাণ সম্পদ পূর্ণ এক বছর থাকা ওয়াজিব নয়। বরং ঈদের দিন সকালে এই পরিমাণ সম্পদ থাকলেই ফিতরা দিতে হবে।

আরও খবর:

Sponsered content