admin ২২ জুলাই ২০২৫ , ২:৩০ অপরাহ্ণ প্রিন্ট সংস্করণ
প্রান্ত পারভেজ : সচিবালয় ও উত্তরায় চলমান ছাত্র আন্দোলনের মধ্যে ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠছে এক অস্বস্তিকর বাস্তবতা, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগের একাধিক নেতাকর্মী এ আন্দোলনে প্রবেশ করে আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে। ঘটনাস্থলের আশপাশে ভিডিও ফুটেজ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন চিত্রে দেখা যাচ্ছে, বিক্ষোভকারীদের মধ্যে পরিচিত মুখের অনেকেই অতীতে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, একটি শান্তিপূর্ণ দাবিনির্ভর ছাত্র আন্দোলনকে পরিকল্পিতভাবে সহিংসতার দিকে ঠেলে দিয়ে সরকারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি করতেই এ ধরনের ঢুকে পড়ার কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে। কিছু কিছু গোয়েন্দা সংস্থা এবং নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের দাবি, এই অপচেষ্টা দেশকে আবারও অস্থিতিশীল করে তোলার ষড়যন্ত্রের অংশ।
পুলিশের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আমরা নিশ্চিত হয়েছি যে, আন্দোলনের মূল দাবিগুলো ছাপিয়ে এখন সেটিকে একটি সংঘর্ষমূলক পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। অনেক ক্ষেত্রে বহিরাগতরা ইন্ধন জুগিয়ে পরিবেশ উত্তপ্ত করে তুলছে।

এরইমধ্যে একাধিক অনলাইনে ছড়ানো ভিডিওতে দেখা গেছে, আন্দোলনকারীদের পেছন থেকে যারা লাঠি ছুঁড়ছে, ব্যানার ছিঁড়ছে কিংবা পুলিশের ওপর চড়াও হচ্ছে, তাদের মুখ চেনা—কয়েকজনকে এর আগেও নানা রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় দেখা গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের পরিকল্পিত অনুপ্রবেশ রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও সতর্ক থাকতে হবে, এবং প্রকৃত ছাত্রদের সঙ্গে আলাদা করে সংলাপের ব্যবস্থা করতে হবে যাতে করে রাজনৈতিক স্বার্থে আন্দোলন ব্যবহৃত না হয়।
সরকারি পর্যায়ে এখনো এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি না এলেও প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ে আলোচনার সূত্রপাত হয়েছে বলে জানা গেছে।











