admin ২১ আগস্ট ২০২৫ , ৩:১৭ অপরাহ্ণ প্রিন্ট সংস্করণ
কাজী আশরাফুল হাসান : সিরাজগঞ্জের ছাত্রদল নেতা মুন্না সরকারকে বহিষ্কা করায়, নিজ দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছেন। এছাড়াও গণমাধ্যমকর্মীর বিরুদ্ধে আওয়ামী দোসর আখ্যা দিয়ে পোস্ট করছেন তার অনুসারীরা। আর সেটিকে শেয়ার করছেন তিনি।

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের ছাত্রদল নেতা মুন্না সরকারের নানা অপকর্ম প্রমাণিত হওয়ায়, সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয় তাকে। এর পর নতুন নাটকীয় পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। বহিষ্কারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই তিনি নিজের ফেসবুক আইডি থেকে উপজেলা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধেই উল্টো অভিযোগ তোলা শুরু করেছেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মুন্না সরকার দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় কিশোর গ্যাং পরিচালনা, সাধারণ মানুষের ওপর চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে সমালোচিত ছিলেন। এসব অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দলীয় সিদ্ধান্তে তাকে বহিষ্কার করা হয়। কিন্তু বহিষ্কারের পর থেকেই তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন বিভ্রান্তিমূলক পোস্ট দিতে থাকেন।
অভিযোগ রয়েছে, তিনি কেবল নিজের ফেসবুক থেকেই নয়, তার অনুসারী ও বাহিনীর বিভিন্ন সদস্যদের মাধ্যমেও ভুয়া প্রচারণা চালাচ্ছেন। পত্রিকাসহ যেসব গণমাধ্যম গত কয়েকদিন ধরে তার অপকর্ম নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, তাদের বিরুদ্ধেও “আওয়ামী দোসর” আখ্যা দিয়ে ফেসবুকে একের পর এক পোস্ট করানো হচ্ছে। এছাড়াও এলাকার বিএনপিপন্থী ও শান্তি প্রিয় মানুষদের নামেও বিভিন্ন পোস্টার বানিয়ে ফেসবুকে ছড়াচ্ছেন তিনি।
এ বিষয়ে এলাকাবাসী জানান, বহিষ্কারের পর মুন্না সরকারের আসল রূপ আরও প্রকাশিত হয়েছে। তিনি এখন প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে উঠেছেন, এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে ব্যবহার করছেন দল ও গণমাধ্যমের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছেন বহিষ্কৃত এই সন্ত্রাসী ছাত্রদল নেতা মুন্না।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বহিষ্কারই প্রমাণ করে যে ছাত্রদল তার কর্মকাণ্ডের দায়ভার নিতে রাজি নয়। এরপরও নিজের দোষ আড়াল করতে এবং বিভ্রান্তি তৈরি করতে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় হয়েছেন।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, দলীয় ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী যথাযথ ব্যবস্থা নেবে, যাতে ভদ্রঘাটে আর কোনোভাবে তার ত্রাসের রাজত্ব ফিরে না আসে।

















