অর্থনীতি

ইউনিলিভার বাংলাদেশের নতুন সিইও ও এমডি হলেন রুহুল কুদ্দুস খান

  admin ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ , ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ প্রিন্ট সংস্করণ

স্টাফ রিপোর্টার : দেশের শীর্ষস্থানীয় নিত্য-ব্যবহার্য ও ভোগ্যপণ্য (এফএমসিজি) উৎপাদন ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড (ইউবিএল)-এর নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন রুহুল কুদ্দুস খান। তিনি আগামী ১ নভেম্বর ২০২৫ থেকে এ দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

১৯৯৬ সালে কালুরঘাট কারখানায় ইউনিলিভার ফিউচার লিডারস প্রোগ্রাম (ইউএফএলপি)-এর মাধ্যমে ট্রেইনি হিসেবে যোগ দেন রুহুল। দীর্ঘ ২৯ বছরের কর্মজীবনে বাংলাদেশ ও ভারতে সাপ্লাই চেইন এবং গবেষণা ও উন্নয়ন (আরঅ্যান্ডডি) বিভাগে বিভিন্ন নেতৃত্বস্থানীয় পদে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

ইউনিলিভার বাংলাদেশের সাপ্লাই চেইন ডিরেক্টর এবং পরবর্তীতে হেড অব কাস্টমার এক্সপেরিয়েন্স অ্যান্ড লজিস্টিকস হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় রুহুল প্রতিষ্ঠানটির সাপ্লাই চেইনকে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ও ভবিষ্যৎ-উপযোগী ব্যবস্থায় রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এ সময় তিনি গ্রাহককেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি, ডেটা অ্যানালিটিক্স, প্রসেস অটোমেশন এবং ডিজিটাল রূপান্তরের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন।

টেকসই উন্নয়নে ইউনিলিভারের বৈশ্বিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে নেট জিরো অর্জনে তাঁর অবদান বিশেষভাবে প্রশংসিত। রুহুল ভারতের খ্যাতনামা ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (আইআইটি) থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিগ্রি অর্জন করেছেন। বাংলাদেশে সাপ্লাই চেইন ও অপারেশনস খাতের অন্যতম শীর্ষ সম্মানিত নেতা হিসেবে তিনি পরিচিত।

ইউনিলিভারের পাকিস্তান, তুরস্ক, আরব ও বাংলাদেশ (পিটিএবি) ক্লাস্টারের প্রধান শাজিয়া সাইয়েদ এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “রুহুল ব্যবসা রূপান্তরে নেতৃত্ব দেওয়া, কঠিন পরিস্থিতি দক্ষভাবে সামলানো এবং ব্যবসা ও পরিবেশে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টিতে সাফল্যের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। সাপ্লাই চেইন ও অপারেশনসে তাঁর গভীর দক্ষতা এবং মানুষের প্রতি আন্তরিকতা তাঁকে এ দায়িত্বের জন্য বিশেষভাবে প্রস্তুত করেছে। তাঁর নেতৃত্বে ইউনিলিভার বাংলাদেশ সবার প্রতিদিনের জীবনকে আরও আলোকিত করার যাত্রা অব্যাহত রাখবে।”

নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করে ইউনিলিভার বাংলাদেশ একটি লক্ষ্যনির্ভর ও ভবিষ্যৎ-উপযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। প্রতিষ্ঠানটি টেকসই উন্নয়ন ও উদ্ভাবনকে ভিত্তি করে স্টেকহোল্ডারদের জন্য অর্থবোধক অবদান রাখা এবং মানুষ ও পৃথিবীর জন্য ইতিবাচক প্রভাব বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আরও খবর:

Sponsered content