অপরাধআইন-আদালতআন্তর্জাতিকক্যাম্পাসখেলাগণমাধ্যমচাকরিজাতীয়তথ্যপ্রযুক্তিপ্রবাসসারাদেশ

কিশোররা যখন ভয়ঙ্কর!

ঘটনাটি ঘটেছিল ১৯৯৪ সালের মে মাসে। রাজধানীর টিকাটুলির বহুতল আবাসিক ‘ইলিশিয়াম ভবন’-এ ঘটে যায় এক লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড। পত্রিকার পাতায় প্রধান শিরোনাম হিসেবে যখন খবরটি প্রকাশ হয়েছিল, সারা দেশ তখন চমকে উঠেছিল। ভবনটির একটি ফ্ল্যাটে বাস করতো তিন সদস্যের পরিবার। বাবা-মা দুজনই ছিলেন চাকরিজীবী। স্কুল শেষে একমাত্র সন্তান ঈশা (১৫) একাই বাসায় থাকত। সময় কাটাতে মাঝে মাঝে বন্ধুদের নিয়ে এসে একসঙ্গে ভিডিও ক্যাসেট রেকর্ডারে (ভিসিআর) সিনেমা দেখত সে। এই ভিসিআরের জন্য নিজের বন্ধুদের হাতে ফ্ল্যাটের ড্রয়িংরুমে নির্মমভাবে খুন হয় দশম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র ঈশা। পরবর্তীতে পুলিশ তদন্ত করে ঈশার সহপাঠী ও পরম বন্ধু প্রিন্সসহ মোট পাঁচ কিশোরকে গ্রেপ্তার করে। ওই সময় এ ঘটনাকে বলা হয়েছিল- কিশোর অপরাধ।

সময়ের চাকা ঘুরে ভিসিআরের যুগ শেষ হয়ে এখন আমরা প্রবেশ করেছি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে। এই সময়ে এসে সামাজিক, পারিবারিক ও শিক্ষার কাঠামো প্রায় ভেঙে গেছে। সেই সঙ্গে কিশোর অপরাধের ধরণ আরো বিস্তৃত হয়েছে, তারা সংঘবদ্ধ হয়েছে, যাকে বলা হচ্ছে-কিশোর গ্যাং।

এই কিশোর গ্যাং কতটা ভয়ানক হয়ে উঠেছে তার নমুনা আমরা অনলাইন সংবাদমাধ্যমের যুগে প্রায় প্রতিদিনই দেখছি। সেপ্টেম্বরে কুমিল্লায় একটি আইফোনের জন্য নিজের গ্রুপের বড় ভাই তথা সঙ্গীদের হাতে স্কুলছাত্র অপ্রতিম খুনের ঘটনাটি সেই ভয়ঙ্কর চিত্রের-ই একটি অংশ ছিল।

কিশোর গ্যাংয়ের ইতিহাসের দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যায়, ২০০০ সালের পর থেকে ঢাকাসহ বড় শহরগুলোতে গ্যাং কালচারের বিস্তার ঘটে। তবে, ২০১৭ সালে উত্তরায় ট্রাস্ট স্কুলের ছাত্র আদনান হত্যার পর কিশোর গ্যাংয়ের বিষয়টি দেশজুড়ে আলোচনায় আসে। আলোচনা একসময় থেকে গেলেও কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার থেমে থাকেনি। বরং পারিবারিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক কারণে কিশোর গ্যাং বিস্তার পেয়ে এখন প্রায় মহীরুহ হয়ে উঠেছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হিসাব অনুযায়ী, ঢাকাসহ সারা দেশে সক্রিয় আছে ৩৮৬টি কিশোর গ্যাং। এই গ্যাংগুলোর সদস্য অন্তত চার হাজার ২৫০ জন। সবচেয়ে বেশি কিশোর গ্যাং রয়েছে ঢাকা শহরে। এখানে ১৫৯টি গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িত অন্তত ১ হাজার ৮১২ জন। রাজধানীর আদাবর ও মোহাম্মদপুর এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা সবচেয়ে বেশি। এ ছাড়া মিরপুর, উত্তরা, পুরান ঢাকার বিভিন্ন মহল্লা, ডেমরাসহ রাজধানীর ৫০টি থানা এলাকায় কিশোর-তরুণ গ্যাংয়ের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড আগের চেয়ে বেড়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ঢাকার বাইরে সক্রিয় রয়েছে ২২৭টি গ্যাং, যেগুলোর সদস্য প্রায় ২ হাজার ৫৫০ জন। ঢাকার পর সবচেয়ে বেশি কিশোর গ্যাং রয়েছে চট্টগ্রাম মহানগরে—৯৮টি। এ ছাড়া সিলেট মহানগরে ১৫টি, রাজশাহী ও গাজীপুর মহানগরে ১৩টি করে এবং খুলনা মহানগরে সাতটি গ্যাং সক্রিয় রয়েছে। অন্যান্য মহানগর ও জেলায় আরো ৮১টি কিশোর গ্যাং সক্রিয় রয়েছে।

এসব গ্যাংয়ের সদস্যরা মাদকসেবন, ছিনতাই, মারামারিসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। আবার এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য তথাকথিত রাজনৈতিক বড় ভাইরা ব্যবহার করছে কিশোরদের। এই বড় ভাইদের আশ্রয়ে আরো সহিংস হয়ে উঠছে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা।

ঘটনাটি ঘটেছিল ১৯৯৪ সালের মে মাসে। রাজধানীর টিকাটুলির বহুতল আবাসিক ‘ইলিশিয়াম ভবন’-এ ঘটে যায় এক লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড। পত্রিকার পাতায় প্রধান শিরোনাম হিসেবে যখন খবরটি প্রকাশ হয়েছিল, সারা দেশ তখন চমকে উঠেছিল। ভবনটির একটি ফ্ল্যাটে বাস করতো তিন সদস্যের পরিবার। বাবা-মা দুজনই ছিলেন চাকরিজীবী। স্কুল শেষে একমাত্র সন্তান ঈশা (১৫) একাই বাসায় থাকত। সময় কাটাতে মাঝে মাঝে বন্ধুদের নিয়ে এসে একসঙ্গে ভিডিও ক্যাসেট রেকর্ডারে (ভিসিআর) সিনেমা দেখত সে। এই ভিসিআরের জন্য নিজের বন্ধুদের হাতে ফ্ল্যাটের ড্রয়িংরুমে নির্মমভাবে খুন হয় দশম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র ঈশা। পরবর্তীতে পুলিশ তদন্ত করে ঈশার সহপাঠী ও পরম বন্ধু প্রিন্সসহ মোট পাঁচ কিশোরকে গ্রেপ্তার করে। ওই সময় এ ঘটনাকে বলা হয়েছিল- কিশোর অপরাধ।

সময়ের চাকা ঘুরে ভিসিআরের যুগ শেষ হয়ে এখন আমরা প্রবেশ করেছি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে। এই সময়ে এসে সামাজিক, পারিবারিক ও শিক্ষার কাঠামো প্রায় ভেঙে গেছে। সেই সঙ্গে কিশোর অপরাধের ধরণ আরো বিস্তৃত হয়েছে, তারা সংঘবদ্ধ হয়েছে, যাকে বলা হচ্ছে-কিশোর গ্যাং।

এই কিশোর গ্যাং কতটা ভয়ানক হয়ে উঠেছে তার নমুনা আমরা অনলাইন সংবাদমাধ্যমের যুগে প্রায় প্রতিদিনই দেখছি। সেপ্টেম্বরে কুমিল্লায় একটি আইফোনের জন্য নিজের গ্রুপের বড় ভাই তথা সঙ্গীদের হাতে স্কুলছাত্র অপ্রতিম খুনের ঘটনাটি সেই ভয়ঙ্কর চিত্রের-ই একটি অংশ ছিল।

কিশোর গ্যাংয়ের ইতিহাসের দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যায়, ২০০০ সালের পর থেকে ঢাকাসহ বড় শহরগুলোতে গ্যাং কালচারের বিস্তার ঘটে। তবে, ২০১৭ সালে উত্তরায় ট্রাস্ট স্কুলের ছাত্র আদনান হত্যার পর কিশোর গ্যাংয়ের বিষয়টি দেশজুড়ে আলোচনায় আসে। আলোচনা একসময় থেকে গেলেও কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার থেমে থাকেনি। বরং পারিবারিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক কারণে কিশোর গ্যাং বিস্তার পেয়ে এখন প্রায় মহীরুহ হয়ে উঠেছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হিসাব অনুযায়ী, ঢাকাসহ সারা দেশে সক্রিয় আছে ৩৮৬টি কিশোর গ্যাং। এই গ্যাংগুলোর সদস্য অন্তত চার হাজার ২৫০ জন। সবচেয়ে বেশি কিশোর গ্যাং রয়েছে ঢাকা শহরে। এখানে ১৫৯টি গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িত অন্তত ১ হাজার ৮১২ জন। রাজধানীর আদাবর ও মোহাম্মদপুর এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা সবচেয়ে বেশি। এ ছাড়া মিরপুর, উত্তরা, পুরান ঢাকার বিভিন্ন মহল্লা, ডেমরাসহ রাজধানীর ৫০টি থানা এলাকায় কিশোর-তরুণ গ্যাংয়ের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড আগের চেয়ে বেড়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ঢাকার বাইরে সক্রিয় রয়েছে ২২৭টি গ্যাং, যেগুলোর সদস্য প্রায় ২ হাজার ৫৫০ জন। ঢাকার পর সবচেয়ে বেশি কিশোর গ্যাং রয়েছে চট্টগ্রাম মহানগরে—৯৮টি। এ ছাড়া সিলেট মহানগরে ১৫টি, রাজশাহী ও গাজীপুর মহানগরে ১৩টি করে এবং খুলনা মহানগরে সাতটি গ্যাং সক্রিয় রয়েছে। অন্যান্য মহানগর ও জেলায় আরো ৮১টি কিশোর গ্যাং সক্রিয় রয়েছে।

এসব গ্যাংয়ের সদস্যরা মাদকসেবন, ছিনতাই, মারামারিসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। আবার এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য তথাকথিত রাজনৈতিক বড় ভাইরা ব্যবহার করছে কিশোরদের। এই বড় ভাইদের আশ্রয়ে আরো সহিংস হয়ে উঠছে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা।

পরিবারকে সময় দিতে হবে, সমাজকে সতর্ক থাকতে হবে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে দেখতে হবে শিশুরা নিয়মিত স্কুল যাচ্ছে কি না, স্কুল পালাচ্ছে কি না। তারা যদি পথচ্যুত হয়ে যায়, তাহলে শুধু শাস্তি না দিয়ে, শুধু শাসন না করে রিহ্যাবের ব্যবস্থাও করতে হবে।

সারা দেশে কিশোর গ্যাংগুলোর অপরাধের ফিরিস্তি অনেক দীর্ঘ। সাধারণত, খুন ও গোলাগুলির মতো বড় ধরনের সংঘর্ষ কিংবা ধর্ষণের মতো ঘটনাগুলো ছাড়া গণমাধ্যমে কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধের খবর খুব একটা প্রকাশিত হয় না।

গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, গত ১৫ অক্টোবর ফুটপাতের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মোহাম্মদপুরের বসিলা সড়কের ময়ূর ভিলার সামনে দুই হকারকে গুলি ও ছুরিকাঘাত করা হয় । এই হামলার পেছনে ছিল রায়েরবাজারের দুর্ধর্ষ কিশোর গ্যাং সাব্বির গ্রুপ। একই গ্রুপের হাতে গত ১৫ সেপ্টেম্বর কেরানীগঞ্জের আরশিনগর এলাকায় খুন হন রায়েরবাজার এলাকার আরেক কিশোর গ্যাং পাটালি গ্রুপের একাংশের নেতা ফরহাদ।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম মহানগরীর ওয়্যারলেস কলোনিতে কিশোর গ্যাংয়ের দুই পক্ষ-সেভেন স্টার ও ফাইভ স্টারের বিরোধে হৃদয় নামে একজন নিহত হন। এর আগে, ১৯ সেপ্টেম্বর কুমিল্লায় স্কুলছাত্র অপ্রতিম খুন হয়েছিল তারই গ্রুপের বড় ভাইদের হাতে। আর এই বড় ভাইদের কয়েকজনই ছিল কিশোর।

২০২৪ সালের ১৮ এপ্রিল নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় কথিত কিশোর গ্যাং ‘এফ টেন’-এর সদস্যরা নিজেদের মধ্যে বিরোধে জড়ায়। বৈশাখী মেলায় দোকান বসানো নিয়ে নিজেদের বিরোধ থেকে ১৮ বছর বয়সী এক তরুণকে (গ্যাংয়ের সদস্য) ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ওই বছরেরই ২৯ জানুয়ারি নোয়াখালী সদর উপজেলায় কথিত কিশোর গ্যাংয়ের দুই পক্ষের সংঘর্ষে ২০ বছর বয়সী এক তরুণ খুন হন।

প্রশ্ন হচ্ছে, যে বয়সে কিশোরদের পড়াশোনাসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কথা সেই বয়সে কেন তারা অপরাধে জড়াচ্ছে? এ ব্যাপারে কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

পরিবার ও সমাজের অবহেলা এবং রাষ্ট্রীয় আইনের দুর্বলতা একজন মানুষকে অপরাধী করে তোলে। কিশোরদের অপরাধ জগতে সম্পৃক্ততার বেলায় এগুলোর সঙ্গে আরো কিছু পারিপার্শ্বিক বিষয় কাজ করে।

এ ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম সোহাগ বলেন, একটা সময় পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটা সময় ভালো বন্ধন ও যোগাযোগ ছিল। এটি এখন ভেঙে গেছে। এর মানে হচ্ছে একটি শিশু পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শাসন পাচ্ছে না। এই নজরদারির অভাবের কারণে তাদের মধ্যে যে নৈতিকতাবোধ তৈরি হওয়ার কথা ছিল তা হচ্ছে না। এর ফলশ্রুতিতে, এই পথচ্যুত কিশোরদের ব্যবহার করছে সমাজে থাকা দুর্নীতিবাজ ও অপরাধীরা। পরবর্তীতে এই কিশোর ছোট অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ত করানো হয়। ছোট অপরাধের সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে গেলে এই কিশোরদের বড় ধরনের অপরাধে ব্যবহার করা হয়। পরবর্তীতে তাদের মধ্যে গ্রুপ তৈরি করা হয়, অন্তর্দ্বন্দ্ব তৈরি করা হয়। তথাকথিত বড় ভাইরা কিশোরদের সুরক্ষা দেয়, টাকা দেয়। এর বিনিময়ে কিশোররা বড় ভাইদের সাহায্য করছে।
কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তারের জন্য পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সমন্বিত ব্যর্থতা রয়েছে বলে জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষক।

কিশোরদের কীভাবে অপরাধ জগৎ থেকে সরিয়ে আনা যায় সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পরিবারকে সময় দিতে হবে, সমাজকে সতর্ক থাকতে হবে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে দেখতে হবে শিশুরা নিয়মিত স্কুল যাচ্ছে কি না, স্কুল পালাচ্ছে কি না। তারা যদি পথচ্যুত হয়ে যায়, তাহলে শুধু শাস্তি না দিয়ে, শুধু শাসন না করে রিহ্যাবের ব্যবস্থাও করতে হবে।

কিশোর গ্যাংয়ের ব্যাপারে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপরাশেনস) মো. ওসমান গনি বলেন, কিশোর গ্যাং আসলে একটি সামাজিক সমস্যা। অর্থনৈতিক বিষয়, মাদকসহ অন্যান্য বিষয়- বিশেষ করে পারিবারিক শিক্ষার অভাব এর সঙ্গে যুক্ত। অপরাধ আমরা নিয়মিতভাবে তাদের গ্রেপ্তার করছি। গ্রেপ্তারের পর বিচারের জন্য হাজির করা হচ্ছে।

কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার রোধে পুলিশ কী করছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কিশোরদের অপরাধ জগত থেকে বের করে আনার জন্য কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে মোটিভেশনাল কাজ করছি আমরা। পাশাপাশি আমরা পরিবারের সদস্যদের বলছি আপনাদের সন্তানদের ভালো-মন্দ বোঝান।

কিশোররা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তাদের আগামী দিনগুলোকে সুন্দর করার জন্য পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকেই এগিয়ে আসতে হবে। নতুবা আগামীতে জাতির ভাগ্যে দুর্ভোগ আর দুর্দশা ছাড়া কিছুই জুটবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *