ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ১৯, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৪ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

তীব্র তাপপ্রবাহে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও চলছে রমরমা কোচিং বাণিজ্য

জনতার আলো, স্টাফ রিপোর্টার:

প্রকাশিত: ২১ এপ্রিল, ২০২৪, ০২:১৬ পিএম

তীব্র তাপপ্রবাহে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও চলছে রমরমা কোচিং বাণিজ্য

সারাদেশে বইছে তীব্র তাপপ্রবাহ। সতর্কবার্তা জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। অতি প্রয়োজন ছাড়া দিনের বেলায় বাইরে চলাফেরা না করার পরামর্শ দিচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সারাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। অথচ পুরোদমে চলছে কোচিং সেন্টারগুলো। স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের ব্যাচ করে প্রাইভেট পড়ানোও বন্ধ নেই। ফলে তীব্র গরমের মধ্যে ঝুঁকি নিয়ে বাইরে বের হতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

অভিভাবকরা বলছেন, কোচিং ও প্রাইভেটে না গেলেও মাস গেলেই ফি গুনতে হবে। টাকা খরচ করে সন্তানদের ঘরে বসিয়ে রাখতে চাইছেন না তারা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কোচিংয়ে যেতে বাধ্য করছেন অভিভাবকরাও।

অন্যদিকে কোচিং সেন্টারগুলো বলছে, রমজান ও ঈদের ছুটির কারণে দীর্ঘদিন কোচিং বন্ধ ছিল। অভিভাবকরাই এখন ক্লাস চালু করতে বলছেন। তাছাড়া বড় কোচিং সেন্টারগুলোর ক্লাসরুমে এসি থাকায় গরমে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি হচ্ছে না। এজন্য তারা কোচিংয়ে ক্লাস চালাচ্ছেন।

রাজধানীসহ সারাদেশে শাখা রয়েছে উদ্ভাস কোচিং সেন্টারের। ঢাকায় ১৭টিসহ বর্তমানে সারাদেশে উদ্ভাসের শাখা ৮৯টি। রোববার (২১ এপ্রিল) থেকে এ কোচিং সেন্টারের সব শাখায় পুরোদমে ক্লাস শুরু হয়েছে। স্কুলে না গেলেও শিক্ষার্থীরা কোচিংয়ে যাচ্ছে। উপস্থিতিও বেশ ভালো বলেই জানিয়েছেন কোচিং সেন্টারের শিক্ষক-কর্মচারীরা।

চালু রয়েছে কিছু কিন্ডারগার্টেনও

কোচিং সেন্টারের মতো রাজধানীর কিছু কিন্ডারগার্টেন স্কুলও তীব্র এ গরমে চালু রাখা হয়েছে। রাজধানীর উত্তরবাড্ডা, রামপুরা, উলন রোড, মহাখালী ও মিরপুর এলাকার বেশ কিছু কিন্ডারগার্টেনে মর্নিং শিফট করে ক্লাস নেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

রামপুরার উলান রোডের সপ্তবর্ণ বিদ্যা নিকেতনের পরিচালক মারুখা খান বলেন, ‘আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরা সব আশপাশের। ক্লাস শুরু হয় সকাল সাড়ে ৭টা থেকে। সাড়ে ১০টায় শেষ। গরম বেশি পড়ার আগেই স্কুল ছুটি হয়ে যাচ্ছে। ফলে শিশুদের সমস্যা হচ্ছে না।’

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক শাহেদুল খবির চৌধুরী বলেন, ‘কোচিং সেন্টার চালু থাকলে সেগুলো নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা সরকারের বিভিন্ন দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা ব্যবস্থা নেবে। তবে শিক্ষকরা যদি কোচিং করান বা বাসায় ব্যাচভিত্তিক প্রাইভেট পড়ান, সেক্ষেত্রে তথ্য-প্রমাণ পেলে আমরা ব্যবস্থা নেবো।